Tuesday, October 27, 2026

ইসলামিক কুইজ ও ফিউচার প্রজেকশন সিমুলেটর (v14.0)
QUIZ v14.0
🔥 স্ট্রাইক: ১ দিন
কোন ব্যক্তির জন্য প্রতিদিন সকালে একজন ফেরেশতা বদ দোয়া করতে থাকেন?
📖 সহিহ হাদিস: রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, প্রতিদিন সকালে দুজন ফেরেশতা অবতীর্ণ হন। তাঁদের একজন দোয়া করেন: "হে আল্লাহ! দানকারীকে তার দানের বিকল্প ও বরকত দিন।" এবং অন্যজন বদদোয়া করেন: "হে আল্লাহ! কৃপণকে ধ্বংস ও ক্ষতির সম্মুখীন করুন।" (সহিহ বুখারি: ১৪৪২)

🤲 দানকারীর ভবিষ্যৎ

সম্পদে অলৌকিক বরকত আসবে এবং অহেতুক বিপদ-আপদ থেকে সুরক্ষার ব্যবস্থা হবে।

⚠️ কৃপণের ভবিষ্যৎ

ফেরেশতার বদদোয়ার কারণে অর্জিত সম্পদে অপচয় ও অহেতুক লোকসান দেখা দেবে।

১০ বছরে মোট দান
৬০,০০০ ৳
পরকালে সর্বনিম্ন প্রতিদান
৬,০০,০০০+ ৳

দৈনিক ছোট ছোট সদকা চিহ্নিত করুন (ক্লিক করে ট্র্যাক করুন):

শনি১
রবি২
সোম৩
মঙ্গল৪
বুধ৫
বৃহ৬
শুক্র৭

Monday, October 26, 2026

Contact About

Labels:

Tuesday, June 7, 2022

কোন কারণে লাগেজর এর পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে খুব সহজেই খুলে ফেলুন 🔐🔐

Labels:

Monday, June 6, 2022

কাঁঠালের বীজ খেলে শরীরে যা ঘটে

কাঁঠাল খেয়ে অনেকেই এর বীজ ফেলে দেন। তবে জানলে অবাক হবেন, এই বীজ বিভিন্ন পুষ্টিগুণে ভরপুর। কাঁঠাল বীজে প্রোটিন ও প্রয়োজনীয় মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট আছে।
যা ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা থেকে শুরু করে শারীরিক বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করে। যদিও অনেকেরই জানা নেই কাঁঠালের বীজ খেলে শরীরে কী ঘটে সে সম্পর্কে!

কাঁঠাল বীজ খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে এমনকি এই বীজে থাকা আয়রন রক্তাল্পতার চিকিৎসার জন্যও কার্যকরী। নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন, কাঁঠালের ছোট ছোট বীজ শরীরের জন্য কতটা উপকারী।

১০০ গ্রাম কাঁঠালের বীজে থাকে ১৮৫ ক্যালোরি। একই সঙ্গে থাকে ৭ গ্রাম প্রোটিন, ৩৮ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট ও ১.৫ গ্রাম ফাইবার। অন্যদিকে কাঁঠালের বীজে ১ গ্রামের কম চর্বি থাকে।
এই বীজ থায়ামিন ও রিবোফ্লাভিনেরও ভালো উৎস। এতে জিংক, আয়রন, পটাসিয়াম, তামা ও ম্যাঙ্গানিজও থাকে যথেষ্ট পরিমাণে। এই বীজের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির মধ্যে আছে ফাইটোকেমিক্যাল, যেমন স্যাপোনিন।

কাঁঠালের বীজের প্রোটিন ও অন্যান্য অত্যাবশ্যক মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বিভিন্ন চর্মরোগ থেকে রক্ষা করে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কাঁঠালের বীজ খেরে শরীরে আরও যা ঘটে-

>> কাঁঠালের বীজে থাকা আয়রন রক্তের স্বাস্থ্য বাড়ায় ও রক্তাল্পতার চিকিৎসায় কার্যকরী ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে নারীদের শরীরে হিমোগ্লোবিনের অভাব দেখা দেয়।

নিয়মিত কাঁঠালের বীজ খেলে সে সমস্যা থেকে মুক্তি মেলে। আয়রন লোহিত রক্তকণিকার উৎপাদনও বাড়ায়। ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে ও বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়।
>> কাঁঠালের বীজ কোষ্ঠকাঠিন্য ও অন্যান্য হজম সংক্রান্ত সমস্যাগুলির চিকিত্সা করতে পারে। কারণ এই বীজ ফাইবারসমৃদ্ধ হওয়ায় তা হজমের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। কিছু গবেষণায় বলা হয়, কাঁঠালের বীজ ডায়রিয়ার চিকিৎসার জন্যও ব্যবহার করা যেতে পারে।

>> এই বীজে ভিটামিন এ আছে, যা দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। ভিটামিন এ'র অভাবে রাতকানা রোগ হতে পারে। তাই এ বীজ পাতে রাখলে ছানি ও ম্যাকুলার অবক্ষয়ের সমস্যা প্রতিরোধ করা যায়।

>> কিছু সূত্র অনুসারে, কাঁঠালের বীজে থাকা ম্যাঙ্গানিজ রক্ত জমাট বাঁধাকে নিয়মিত করতে পারে। যদিও এ বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

>> কাঁঠালের বীজে থাকা আয়রন যৌন আনন্দকে উদ্দীপিত করতে পারে। জানা যায়, কাঁঠালের বীজ যৌন রোগের চিকিত্সার জন্য ঐতিহ্যগত এশিয়ান ওষুধে ব্যবহার করা হয়।

>> কাঁঠালের বীজে থাকা প্রোটিন পেশি তৈরিতে সাহায্য করে। খাদ্যতালিকায় কাঁঠালের বীজ রাখলে শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি হবে না।

>> কমবয়সীদের মধ্যেও আজকাল বলিরেখার সমস্যা দেখা দেয়। কাঁঠালের বীজ বলিরেখাও প্রতিরোধ করে। এই বীজে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট শরীরের ক্ষতিকর ফ্রি র‌্যাডিকেলের সঙ্গে লড়াই করে।

যা অকাল বার্ধক্য সৃষ্টি করে। ফলে বলিরেখা কমে যায়। এজন্য কাঁঠালের বীজ পিষে কিংবা গুঁড়া করে তা দুধের সঙ্গে মিশিয়ে ত্বকে ব্যবহার করুন। এই প্যাক ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতেও সাহায্য করে।

>> যাদের চুল সহজে লম্বা হয় না তারা খাদ্যতালিকায় রাখুন কাঁঠালের বীজ। এতে থাকা ভিটামিন এ ভঙ্গুর চুলের সমস্যা কমায় ও এতে থাকা প্রোটিন চুলের স্বাস্থ্য উন্নত করে।

ফলে চুল পড়া কমে। এমনকি এই বীজে থাকা আয়রন মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে চুল দ্রুত লম্বা হয়।

>> কাঁঠালের বীজে থাকা বিভিন্ন পুষ্টিগুণ মানসিক চাপ কমাতেও সাহায্য করে। ফলে মাথা শান্ত থাকে।

কাঁঠালের বীজ কীভাবে খাবেন?

খোসা ফেলে দিয়ে কাঁঠালের বীজ রোস্ট করে বাদামের মতো করে স্ন্যাকস হিসেবে খেতে পারেন। এছাড়া এটি সেদ্ধ করে ভর্তা, ভাজি কিংবা বিভিন্ন পদ তৈরি করতে পারেন।

চাইলে বিভিন্ন খাবারের সঙ্গে মিশিয়েও খেতে পারেন কাঁঠালের বীজ। এমনকি এই বীজ ভালো করে শুকিয়ে গুঁড়া করে পানিতে মিশিয়ে দৈনিক পান করলেও মিলবে উপকার।

Labels:

Friday, June 3, 2022

বাত–ব্যথা রোগের চিকিৎসা ও প্রতিকার

ব্যথা, একটি পুরাতন রোগ। মানব জাতির জন্মলগ্ন থেকেই শরীরে ব্যথার অস্তিত্বের অনুভব হয়েছে। তবে ইতিহাস বলে, প্রাচীন যুগে এই রোগের একজন গ্রিক দেবী ছিলেন। যাঁর নাম ছিল 'পোইন', তাঁর এই নাম থেকেই ব্যথার সৃষ্টি। তবে এটি গ্রিক পুরাণের ধারণা। এখন বিজ্ঞানের ছোঁয়ায় ব্যথা সম্পর্কে জানা যায় বিশদভাবে।

প্রথমত, ব্যথা কোনো রোগ নয়, উপসর্গ মাত্র। শরীরে নানা কারণে ব্যথা অনুভব হতে পারে। তবে এই প্রতিবেদনে বাত-ব্যথার নানা রোগ নিয়ে কিছু পরামর্শ ও প্রতিকার নিয়ে আলোচনা থাকবে। সাধারণত মানুষ তাঁর শরীরের বিভিন্ন হাড়, জয়েন্ট অথবা শরীরের বিভিন্ন অংশ যেমন-ঘাড়, কোমর, হাঁটু, কনুই, কবজি, রগ বা টেনডন বা মাংশপেশী ইত্যাদিতে বাত-ব্যথায় ভোগেন। সমীক্ষায় দেখা গেছে, বর্তমানে আমাদের দেশে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ মানুষ বাত-ব্যথা রোগে ভুক্তভোগী।

প্রকৃতপক্ষে কোমরব্যথা রোগকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। সবদিক বিবেচনা করলে এটি একটা জটিল সমস্যা। ব্যথা যে কারণেই হোক না কেন, দ্রুত সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে এই ব্যথা সেরে ফেলতে হবে। অন্যথায় যেসব ব্যথা তিন মাসের বেশি থাকবে সেই সব কোমরব্যথার চিকিৎসা-পরবর্তী সময়ে কষ্টকর হয় ও সহজে ভালো হয় না।
ঘাড়ব্যথা
নারী-পুরুষ উভয়েরই যেকোনো বয়সে ঘাড়ে ব্যথা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে বয়সভেদে ব্যথার কারণ আলাদা হতে পারে। ঘাড়ে ব্যথার প্রধান কারণগুলো হলো—

সারভাইক্যাল স্ট্রেইন বা স্পাজম

সারভাইক্যাল স্পনডাইলেসিস

সারভাইক্যাল ডিক্স প্রলাপস

সারভাইক্যাল ইনজুরি

ফাইব্রোমায়লজিয়া
এ ছাড়া বিভিন্ন প্রদাহজনিত বাতজ্বর বা রিউমাটিক রোগেও ঘাড়ব্যথা হয়। যেকোনো বয়সেই ঘাড়ে ব্যথা হলে প্রথমে এর সুনির্দিষ্ট কারণ নির্ণয় করতে হবে। সেই অনুযায়ী বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসা নিলে অবশ্যই রোগ নিরাময় হবে। এ রোগের জন্য অবশ্যই একজন ফিজিক্যাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। যাতে করে আপনার সঠিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে পারেন।
কোমরব্যথা বা ব্যাক পেইন
কোমরব্যথা মানবদেহের একটি বিড়ম্বনা সৃষ্টিকারী রোগ বা উপসর্গ। পৃথিবীর অনেক নারী-পুরুষই এ রোগের ভুক্তভোগী। সাধারণত ৩০ থেকে ৫৫ বছর বয়সের মানুষ এই ব্যথায় আক্রান্ত হয়ে থাকেন। সমীক্ষায় দেখা গেছে, বিশ্বজুড়ে ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ মানুষের জীবনের কোনো না কোনো সময় কোমরব্যথা হয়েছে বা হওয়ার ঝুঁকিতে আছেন। এতে যেমন কর্মক্ষমতা লোপ পায়, তেমনি নষ্ট হয় কর্মের সময়ও। পাশাপাশি রয়েছে মানসিক বিপর্যয় ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার দিক। আর চিকিৎসা বাবদ যে অর্থ ব্যয় হয়, তা নিঃসন্দেহে উদ্বেগজনক।
যুক্তরাজ্যের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, শতকরা ৭ ভাগ মানুষ (২৫ থেকে ৫৫ বছর) প্রতিবছর কোমরব্যথার কারণে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। এতে চিকিৎসাবাবদ ব্যয় হয় বছরে প্রায় ৫০ কোটি পাউন্ড ও নষ্ট হয় আট কোটি কর্মদিবস। বাংলাদেশেও ২০ থেকে ২৫ শতাংশ লোক কোমরব্যথা বা অন্যান্য ব্যথায় ভোগেন।
কোমরব্যথার কারণ
এখন আমরা জেনে নিই, কোমরব্যথার কারণগুলো এবং কারা এই রোগে বেশি আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকেন। সাধারণত ৪০ বছরের আগে ও চল্লিশোর্ধ বয়সের মানুষের কোমরব্যথার কারণগুলো আলাদা হতে পারে। অর্থাৎ বয়স ও লিঙ্গভেদে কোমরব্যথার কারণ আলাদা হয়ে থাকে। যাঁরা শারীরিকভাবে বেশি পরিশ্রম করেন যেমন — ওজন বহন করা, ওজন তোলা, অনেকক্ষণ দাঁড়ানো, অনেকক্ষণ বসা, সামনে ঝুঁকে কাজ করা, বসে কাজ করা এই সব কারণেই সাধারণত কোমরব্যথা হয়ে থাকে। আবার পড়ে গেলে বা আঘাত লাগলেও অনেক সময় কোমরব্যথা হয়। হাড়ের ক্ষয় থেকেও এ ব্যথার সৃষ্টি হয়। এ ধরনের ব্যথাকে বলে 'ডিজেনারেটিভ ডিস অর্ডার'। এ ছাড়া ইনফেকশন, যক্ষ্মা, ক্যানসার, এমনকি পিত্তথলি ও অগ্ন্যাশয়ের অসুখ থেকেও কোমরব্যথা হতে পারে।হাঁটুব্যথা
পড়ন্ত বয়সে কিংবা একটু বেশি বয়স হলে বিভিন্ন কারণে হাঁটুতে ব্যথা হতে পারে। সচরাচর ৩০-৬০ বছর বয়সে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ মানুষ হাঁটুর ব্যথায় ভোগেন। সুতরাং হাঁটুব্যথা একটি অতি সাধারণ আর্থ্রাইটিস, যা একটু বেশি বয়সের মানুষকে আক্রান্ত করে। সাধারণত, পুরুষের চেয়ে নারীদের হাঁটুব্যথা বেশি হয়। এ ক্ষেত্রে নারীদের দুই হাঁটুই এক সঙ্গে আক্রান্ত হয়ে থাকে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাঁটুর তরুণাস্থির গঠনগত কিছু পরিবর্তন হয় বা কিছুটা ক্ষয় হতে থাকে। এইভাবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের বিভিন্ন অস্থি, তরুণাস্থি ও অস্থি সংযোগে কিছুটা ক্ষয় হতে থাকে। অল্প ক্ষয়ের কারণে অনেক সময় কোনো উপসর্গ নাও দেখা দিতে পারে। ফলে রোগীরা স্বাভাবিক থাকে। কিন্তু ক্ষয়ের মাত্রা বেশি হলে তখন রোগীদের দেহে বিভিন্ন রকম উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন — মুভমেন্ট কমে যাওয়া, হাঁটুতে ব্যথা হওয়া, ফুলে যাওয়া ও হাঁটুতে পানি জমে যেতে পারে ই

Labels:

Wednesday, June 1, 2022

ওজন ঠিক রাখতে কী খাবেন?

ওজন নিয়ে আমরা অনেকেই দুশ্চিন্তায় থাকি। খাবার সঠিক নিয়মে না খেলে ওজন বেড়ে যেতে পারে। আবার হঠাৎ খাবার খাওয়া কমিয়ে দিলে স্বাস্থ্য ভেঙে যেতে পারে। সুস্থ থাকার জন্য সুষম খাবার খেলে ওজনও ঠিক থাকে।
ওজন ঠিক রাখতে কীভাবে ও কোন ধরনের খাবার খাওয়া জরুরি, সে বিষয়ে যুগান্তরকে পরামর্শ দিয়েছেন মেডিনোভা মেডিকেলের মেডিসিন ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মো. তৌফিকুর রহমান ফারুক।মেডিসিন ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মো. তৌফিকুর রহমান ফারুক।

ক্যালোরি হলো শক্তি পরিমাপের উপায়। যদি ওজন বাড়াতে হয়, তবে প্রতিদিন যে পরিমাণ ক্যালোরি খরচ হয়, তার থেকে বেশি পরিমাণ ক্যালোরি সমপরিমাণ খাবার খেতে হবে।

বিপরীতভাবে যদি ওজন কমাতে হয়, তবে প্রতিদিন যে পরিমাণ ক্যালোরি খরচ হয়, তার থেকে কম পরিমাণ ক্যালোরি সমপরিমাণ খাবার খেতে হবে।

সে ক্ষেত্রে কোন কোন খাবারে ক্যালোরি কম থাকে তা জানতে হবে এবং সে অনুযায়ী কম ক্যালোরিযুক্ত খাবার খেতে হবে।

প্রোটিনজাতীয় খাবার
খাবারে প্রোটিনজাতীয় খাবার বেশি খেয়ে ওজন কমানোর পদ্ধতি সবচেয়ে সহজ, কার্যকরী, মুখরোচক, বৈজ্ঞানিক ও কম কষ্টের। প্রোটিনজাতীয় খাবার খেলে অল্প খাবারে তাড়াতাড়ি তৃপ্তি আসে অর্থাৎ ক্ষুধার অনুভূতি তাড়াতাড়ি কমে এবং আমাদের শরীরের মেটাবলিক রেট বা শারীরবৃত্তীয় ক্রিয়ার হার বাড়ে। কারণ প্রোটিন বা আমিষজাতীয় খাবার হজম করতে ও মেটাবলিজম হতে বা খাবার ভেঙে শক্তি উৎপাদনে বা অন্যান্য কাজে অনেক বেশি শক্তি ব্যয় হয়।

প্রোটিন বা আমিষজাতীয় খাবার হজম বা মেটাবলিজমে বেশি শক্তি অর্থাৎ ৮০-১২০ ক্যালোরি শক্তি বেশি ব্যয় হয়। একজন ব্যক্তি যদি খাবারের ৩০ ভাগ প্রোটিনজাতীয় খাবার খায়, তবে সে প্রতিদিন ৪৪১ ক্যালোরি সমপরিমাণ খাবার কম খেল।

তাই খাবারে পরিমিত পরিমাণ প্রোটিন যোগ করে একদিকে যেমন শরীরে ক্যালোরি কম প্রবেশ করে, তেমনি ক্যালোরি খরচও বেশি হয়। প্রোটিনজাতীয় খাবার আমাদের ক্ষুধার তীব্রতা কমিয়ে দেয়।

যারা ডায়েট করেন ও না খেয়ে ওজন কমাতে চান, তাদের মাঝে মাঝে তীব্র ক্ষুধার অনুভূতি হয়। তারা আর না খেয়ে থাকতে পারেন না, ফলে ওজন কমানো কঠিন হয়ে পড়ে এবং আবার ওজন আগের মতোই বাড়তে থাকে। প্রোটিনজাতীয় খাবার এ ধরনের হঠাৎ ক্ষুধার তীব্র অনুভূতি কমিয়ে দেয়।

এক গবেষণায় দেখা গেছে, খাবারে যদি ২৫ ভাগ প্রোটিন বা আমিষ থাকে, তবে এই প্রোটিন বা আমিষ মস্তিষ্কে খাবারের চিন্তা ৬০ ভাগ কমিয়ে দেয় এবং রাতের গভীরে বা ভোররাতে নাস্তা খাওয়ার ইচ্ছা বা প্রবণতা ৫০ ভাগ কমিয়ে দেয়।

তাই যদি কেউ ওজন কমানোর কর্মসূচি কার্যকরী ও টেকসই বা স্থায়ী করতে হয় এবং কম কষ্টে ওজন কমাতে চায়, তবে খাবারে কমপক্ষে ৩০ ভাগ প্রোটিন বা আমিষজাতীয় খাবার রাখতে হবে। এটা ওজন কমানোর পাশাপাশি ওজন যাতে আবার না বাড়ে তা নিশ্চিত করবে।

সুগারযুক্ত পানীয় বর্জন
সোডা, ফলের রস, চকোলেট দুধ ও অন্যান্য কোমল পানীয় যেমন কোকাকোলা, ফানটা, মিরিন্ডা, পেপসি যেখানে অতিরিক্ত চিনি বা সুগার যোগ করা হয় তা ক্ষতিকর ও বর্জনীয়। কারণ সুগার বা চিনির মাধ্যমে আমাদের শরীরে অতিরিক্ত ক্যালোরি ঢোকে ও তা আমাদের ওজন বাড়ায়।

শিশুদের ওজন বাড়াতে বা মোটা হওয়ার ঝুঁকি ৬০ ভাগ বেড়ে যায়, যদি প্রতিদিন সুগারযুক্ত কোমল পানীয় পান করে। ওজন বাড়ার পাশাপাশি এ সুগারযুক্ত কোমল পানীয় নানাবিধ রোগ তৈরি করে।

প্রাকৃতিক জুস বা ফলের রস স্বাস্থ্যকর কিন্তু জুসের সঙ্গে যদি অতিরিক্ত চিনি যোগ করা হয়, তবে তা ক্ষতিকর। এসব সুগারযুক্ত পানীয়র আসলে কোনো লাভজনক দিক তো নেয়-ই বরং দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর।

বেশি করে পানি পান
ওজন কমানোর জন্য অন্যতম উপায় হচ্ছে রোজ বেশি পরিমাণ পানি পান করা। বেশি পরিমাণ পানি পান করলে শরীরের অতিরিক্ত ক্যালোরি খরচ হয়। প্রতিদিন ৪ গ্লাস বা ২ লিটার পানি পান করলে ৯৬ ক্যালোরি শক্তি অতিরিক্ত খরচ হয় কোনো কায়িক পরিশ্রম ছাড়াই।

এ ছাড়া খাবার আগে খালি পেটে পানি পান করলে তাতে পেট আংশিক ভর্তি হবে এবং ক্ষুধা কমবে ও কম পরিমাণ খাবারে পেট ভরে যাবে, তাতে অটোমেটিক্যালি কম ক্যালোরি শরীরে ঢুকবে।

১২ সপ্তাহব্যাপী এক গবেষণায় দেখা গেছে, খাবার ১-২ ঘণ্টা আগে ১-২ লিটার পানি খেলে ৪৪ ভাগ বেশি ওজন কমে, তাই ওজন কমানোর জন্য স্বাস্থ্যকর ও কম ক্যালোরিযুক্ত খাবারের পাশাপশি বেশি পরিমাণে পানি পান করা কার্যকরী।
ব্যায়াম

আমরা যখন কম ক্যালোরিযুক্ত খাবার খাই, তখন আমাদের শরীর শক্তি সঞ্চয় করে রাখতে চায়, শক্তি কম খরচ করে শক্তি জমা রাখতে চায়। তাই দীর্ঘমেয়াদি ওজন কমান কর্মসূচি বা ডায়েটিং করলে বা কম খেলে আমাদের শরীরে মেটাবলিকজনিত বা শারীরবৃত্তীয়জনিত ক্যালোরি খরচ কমে যায়।

এ ছাড়া এতে আমাদের শরীরের মাংসপেশিগুলো শুকিয়ে যায়, তাই ওজন কমানোর জন্য ?

Labels:

Tuesday, May 31, 2022

কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়, গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ায় পেঁপে

পেঁপে এমন একটি পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার, যা কাঁচা ও পাকা খাওয়া যায়। কাঁচা পেঁপে আমরা সালাদ হিসেবে খেতে পারি। পেঁপে সহজলভ্য। সারা বছরই বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। আজ আমরা একজন পুষ্টিবিদের কাছ থেকে পেঁপের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জানব।

এনটিভির নিয়মিত স্বাস্থ্যবিষয়ক অনুষ্ঠান স্বাস্থ্য প্রতিদিনের একটি পর্বে পেঁপের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে বলেছেন পুষ্টিবিদ নুজহাত মঞ্জুর।

পুষ্টিবিদ নুজহাত মঞ্জুর বলেন, পেঁপেতে পাপাইন নামের এক ধরনের এনজাইম আছে, যা আমাদের হজমে সহায়তা করে। তাছাড়া বিভিন্ন ধরনের মাংসকে নরম করতে সহায়তা করে। পেঁপে ভিটামিন এ, সি ও ই সমৃদ্ধ। বিটা ক্যারোটিন থাকায় পেঁপে আমাদের অ্যাজমা প্রতিরোধে সহায়তা করে। তাছাড়া কোলন ক্যানসার, প্রোস্টেট ক্যানসারের বিরুদ্ধেও প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

নুজহাত মঞ্জুর জানান, পেঁপে প্রচুর আঁশ ও ফলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ। তাই যাঁদের কোষ্ঠকাঠিন্য আছে, তাঁরা অনায়াসে প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ পেঁপে খেতে পারেন। গর্ভাবস্থায় অনেকেরই কোষ্ঠকাঠিন্য হয়। ফলে আমরা পেঁপে খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকি। তবে অবশ্যই মনে রাখবেন, প্রেগন্যান্সিতে পেঁপে অবশ্যই ভালো পাকা হতে হবে। কারণ, কাঁচা পেঁপে বা আধা পাকা পেঁপেতে লেটেক্স নামক একটি উপাদান থাকে, যা গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে থাকে। এ সময় অবশ্যই কাঁচা পেঁপে সালাদ হিসেবে খাবেন না। তবে তরকারিতে খাওয়া যাবে। ইনফার্টিলিটি বা আইভিএফ রোগীদের ক্ষেত্রে আমরা বিশেষ সতর্কতার জন্য পুরো প্রেগন্যান্সিতেই পেঁপে না খাওয়ার পরামর্শ দিই। তাছাড়া শরীরের কোনও জায়গায় যদি পোড়া ক্ষত থাকে, সেখানে পেঁপে লাগালে ইনফেকশন অনেকাংশে কমে যাবে।

নুজহাত মঞ্জুর যুক্ত করেন, বাড়তি ক্যালোরির জন্য বা যাঁরা ওজন বাড়াতে চান, তাঁরা পেঁপের জুস খেতে পারেন। চাইলে পেঁপের জুসের সাথে দুধ ও সামান্য পরিমাণ মধু মিশিয়ে নিতে পারেন। শারীরিক অসুস্থতা থেকে ওঠার পরে অথবা দুর্বলতা কাটানোর জন্য পেঁপের জুস খেতে পারেন। আর ডায়াবেটিক পেশেন্টরা অনায়াসে এক কাপ পেঁপে খেতে পারেন। অন্য ফলের তুলনায় পেঁপেতে সুগারের পরিমাণ কম থাকে। এক কাপ পেঁপে থেকে আমরা ৮ থেকে ৮.৩ গ্রাম পর্যন্ত সুগার পেয়ে থাকি।

এ পুষ্টিবিদ আরও বলেন, কিডনি পেশেন্টদের জন্য আমি বলব, অনেকের ধারণা আছে কিডনি পেশেন্টরা পেঁপে খেতে পারবেন না। এটা ভুল ধারণা। সব ক্ষেত্রেই যে খাওয়া যাবে না, তা কিন্তু ঠিক নয়। অবশ্যই খাওয়া যাবে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে। আর ক্রনিক কিডনি পেশেন্টদের অবস্থাটা যখন শেষ পর্যায়ে চলে আসে, মানে যখন এন্ড স্টেজ রেনাল ডিজিজ ধরা পড়ে এবং পটাসিয়ামের পরিমাণ যখন অনেক বেশি থাকে, তখন অবশ্যই আমরা পেঁপে খেতে নিষেধ করে থাকি। কারণ, পেঁপে যথেষ্ট পরিমাণে পটাসিয়াম সমৃদ্ধ।

Labels:

Friday, May 27, 2022

জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সংশোধন অ্যাপস ডাউনলোড করে অনলাইনের মাধ্যমে সনদ এডিট করা যাবে। ক্লিক করে দেখে নিন বিস্তারিত

জন্ম নিবন্ধন সনদের ভুলভ্রান্তি সংশোধন করার জন্য আপনারা যারা অ্যাপসের মাধ্যমে এই সুবিধা গ্রহণ করতে চান তাদেরকে আজকে আমরা জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সংশোধন করার অ্যাপস প্রদান করার পাশাপাশি অন্য দিক থেকে সহায়তা প্রদান করব। জন্ম নিবন্ধন সনদ তৈরি করার সময় অনেকেই যে ধরনের ভুলভ্রান্তি হয়েছে অথবা তথ্যগত ভুল প্রদান করার জন্য এখন সংশোধন করতে চাইছেন তাদের জন্য আজকে আমরা শিখিয়ে দেব কিভাবে জন্ম নিবন্ধন এর তথ্য সংশোধন অ্যাপস এর মাধ্যমে করা যায়।

তাই আপনার জন্ম নিবন্ধন সনদের যদি কোনো তথ্য ভুল থাকে তাহলে আর দেরি না করে আপনারা অতিসত্বর স্থানীয় সরকার বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন এবং যোগাযোগ করার পূর্বে অ্যাপসের মাধ্যমে জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হবে। তবে অ্যাপসের মাধ্যমে জন্ম নিবন্ধন এর তথ্য সংশোধন করাটা খুবই সুবিধাজনক ভুলে আজকে এই তথ্য আলোচনা করতে চলেছি এবং আপনাদের যাদের এই সমস্যা রয়েছে তারা অবশ্যই শেষ পর্যন্ত এই পোস্ট কন্টিনিউ করবেন।জন্ম নিবন্ধন এর তথ্য সংশোধন অ্যাপ সম্পর্কে যারা জানেন না তারা আজকে আমাদের ওয়েবসাইট থেকে জেনে নিন এবং এই অ্যাপস এর ঠিকানা হলো https://bdris.gov.bd/br/rectification । আপনারা গুগল ক্রোম ব্রাউজার এ গিয়ে এই অ্যাপস এর এড্রেস প্রধান করলেই একেবারে অফিশিয়াল চলে যেতে পারবেন এবং সেখানে গিয়ে আপনার তথ্য সংশোধন করার জন্য যে সকল তথ্য চাওয়া হবে সেগুলো দিয়ে লিপিবদ্ধ করেন।

Labels:

Tuesday, May 24, 2022

বঙ্গবন্ধুর বায়োপিক : ট্রেলারেই হতাশার চাপে

বঙ্গবন্ধুর বায়োপিক : ট্রেলারেই হতাশার চাপে 

'মুজিব: দ্য মেকিং অব আ নেশন' ছবির বহুল প্রতীক্ষিত ট্রেলার প্রকাশ হওয়ার পর থেকে আলোচনা-সমালোচনা চলছ। ১ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের ভিডিওটি নিয়ে হতাশা ছড়ালেও পরিচালক শ্যাম বেনেগাল ও কলাকুশলীরা অবশ্য জিইয়ে রাখছেন আশা।

কান চলচ্চিত্র উৎসবের বাণিজ্যিক শাখা মার্শে দ্যু ফিল্মের অংশ হিসেবে ভারতীয় প্যাভিলিয়নে গত ১৯ মে বঙ্গবন্ধুর বায়োপিক 'মুজিব: দ্য মেকিং অব আ নেশন'- এর ট্রেলার প্রকাশিত হয়। তারপর থেকেই ভিডিওতে ব্যবহৃত ভিজ্যুয়াল এফেক্টস, মেকআপ-গেটআপ ইত্যাদি নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে। দক্ষিণ ফরাসি উপকূলের সীমানা ছাড়িয়ে বাংলাদেশেও চলছে আলোচনা-সমালোচন।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে ভাষণ দেয়ার সময় বঙ্গবন্ধুর চোখে চশমা ছিল না। কিন্তু ট্রেলারে ৫৯ সেকেন্ডে দেখা যায় তার চরিত্রে রূপদানকারী অভিনয়শিল্পী চোখে চশমা রেখেই সেই ভাষণ দিচ্ছে। ট্রেলারের ১ মিনিট ৫ সেকেন্ডে যে পতাকা দেখা যায় তা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ছিল না। ১ মিনিট ১৪ সেকেন্ডে যুদ্ধবিমানের যে ভিজ্যুয়াল এফেক্টস তার মান নিয়ে হাসাহাসি করছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের উল্লেখযোগ্য একটা অংশ। এছাড়া ১ মিনিট ৩০ সেকেন্ডে বঙ্গবন্ধু চরিত্রের মুখে 'বাংলাদেশ-ভারত ভাই ভাই' সংলাপ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ। সব মিলিয়ে যে প্রশ্নটা বড় হয়ে উঠেছে তা হলো-দুই দেশের প্রযোজনায় বিশাল বাজেটে নির্মিত ছবির ট্রেলার কেন এত নিম্নমানের হবে? ছবিটি নির্মাণে পর্যাপ্ত গবেষণার অভাব স্পষ্ট বলে মন্তব্য অনেকের। এছাড়া গল্পটি ভারতকেন্দ্রিক বলেও আগাম অনুমান অনেকের।

ট্রেলার নিয়ে সমালোচনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ছবিটির পরিচালক শ্যাম বেনেগাল। ট্রেলার নিয়ে এতটা নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখে বিস্মিত তিনি। ভারতের দ্য টেলিগ্রাফকে তিনি বলেন, 'বাংলাদেশের দর্শকরা কেন হতাশ কিছুতেই বুঝতে পারছি না। কানে ট্রেলারটি সুন্দরভাবেই পরিবেশন করা হয়েছে। বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী ও তাদের রাষ্ট্রদূত ছিলেন অনুষ্ঠানে।'

শ্যাম বেনেগাল আরো বলেছেন, 'বঙ্গবন্ধু নিজের পরিবারের প্রতি নিবেদিত ছিলেন। ট্রেলারে তাকে সেভাবেই বর্ণনা করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের সাথে তার কথোপকথনের দৃশ্য আছে। পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানে কারাবন্দী থাকার সময় ছাড়া তিনি পরিবারের সাথেই থেকেছেন। এ কারণেই বুঝতে পারছি না নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া কেন দেখাচ্ছে মানুষ।'

দ্য টেলিগ্রাফকে ৮৭ বছর বয়সী ভারতীয় পরিচালক বলেন, 'ছবিটি এখনো দর্শকরা দেখেনি। ৯০ সেকেন্ডের একটি ট্রেলার দেখে কোনো ছবি নিয়ে মন্তব্য করতে পারে না কেউ।'

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি সোহানুর রহমান সোহানও শ্যাম বেনেগালের সাথে একমত। শুধু ট্রেলার দেখে মন্তব্য করতে চান না তিনি। ডয়চে ভেলেকে বাংলাদেশের এই নির্মাতা বলেন, 'ছবি না দেখা পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করবো না। শুধু ট্রেলার দেখে কোনো মন্তব্য করা যায় না। আগে ছবিটি দেখবো, তারপর আলোচনা বা সমালোচনার প্রয়োজন হলে করবো। এখন বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না, কারণ, ছবির কিছু অংশ কেটে ট্রেলার বানানো হয়। এটিকে ছবির বিজ্ঞাপন বলা যেতে পারে। আর এই বিজ্ঞাপন দেখে কোনো মন্তব্য করা যায় না। পুরো ছবি দেখে তারপরেই মন্তব্য করব।'

'মুজিব: দ্য মেকিং অব আ নেশন' ছবিতে বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ। কানসৈকতে বসে ডয়চে ভেলের কাছে তিনি দাবি করেন, 'আমি অফিসিয়ালি আপনাকে জানাতে পারি যে, ট্রেলারটি সবাই দেখেছে সেটি কেবলই কান চলচ্চিত্র উৎসবের জন্য ছিল। একটু খেয়াল করলে দেখবেন, ছবিটির মুক্তির সময় পোস্টারে উল্লেখ রয়েছে সেপ্টেম্বর, অর্থাৎ আরো চার মাস পরে। সেক্ষেত্রে নিশ্চয়ই আমরা চার মাস আগে অফিসিয়াল ট্রেলার প্রকাশ করবো না। যেহেতু কান চলচ্চিত্র উৎসবের মতো বৈশ্বিক একটি আয়োজনে অংশগ্রহণের সুযোগ এসেছে, তাই ট্রেলারটি খুব অল্প সময়ে তৈরি করতে হয়েছে। কারণ, দর্শককে বুঝতে হবে এখন কিন্তু ছবিটি পোস্ট প্রোডাকশনে আছে। এডিটিং প্যানেলের কর্মযজ্ঞ চলছে রাত-দিন। এর মাঝে ট্রেলারটি নিয়ে আমরা কানে অংশগ্রহণ করেছি মাত্র।'

বঙ্গবন্ধুর অসামান্য কর্মময় জীবন, সংগ্রাম ও দর্শনকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে কান উৎসবের বৈশ্বিক মঞ্চ ব্যবহার করতে চেয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। আরিফিন শুভ যোগ করলেন, 'মাত্র ১৩ দিনের মধ্যে কান উৎসবে ট্রেলার উন্মোচনের সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আমার কথা যদি জানতে চান, ভিসা পাওয়ার পর মাত্র চার ঘণ্টা সময় পেয়েছি বিমানে ওঠার। আমাদের লক্ষ্য ছিল কান উৎসবের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে সারাবিশ্বে ফিল্ম প্রফেশনালদের সামনে তুলে ধরা, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে যে গণহত্যা হয়েছিল �

Labels:

Monday, May 23, 2022

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সর্বশেষ আমল কি ছিল?

 

04 রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সর্বশেষ আমল কি ছিল?





ANSWER= খ) মিসওয়াক
Explain:-

Labels:

এই পাঁচটি কারণে ক্যান্সার বাসা বাঁধতে পারে আপনার শরীরে, জেনে নিন কী কী

ডায়াবেটিস, হার্টের রোগ, প্রেসার থেকে কোলেস্টেরলেন মতো সমস্যা আজ ঘরে ঘরে।প্রতিটি মানুষই নানা রকম রোগের শিকার হচ্ছেন। বর্তমানে বহু মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন ক্যান্সারে। এই রোগ এখন ঘরে ঘরে। আর ছোট থেকে বড় সব বয়সের মানুষই আক্রান্ত হতে পারেন ক্যান্সারে। এই রোগ থাবা বসাচ্ছে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ওপর। স্তন ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, প্রোস্টেট লিভার ক্যান্সার, অগ্ন্যাশয় ক্যান্সার থেকে কোলন ক্যান্সার- এমন একাধিক রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকে। কিন্তু, ঠিক কী কারণে ক্যান্সার হয়, তা সকলেরই অজানা। আজ রইল কয়টি কারণের হদিশ। এই পাঁচ কারণে আক্রান্ত হতে পারেন ক্যান্সারের মতো মারণ রোগে। জেনে নিন কী কী। আধুনিক জীবনে মানিয়ে নিতে গিয়ে অনেকেই বেশ কিছু খারাপ অভ্যেস রপ্ত করেছে। এর মধ্যে দুটি অন্যতম হল ধূমপান ও মদ্যপান। ধূমপান করলে শরীরে একাধিক ক্ষতিকারক উপাদান প্রবেশ করে। যা ক্যান্সারের কারণ হতে পারে। তেমনই মদ্যপানের জন্য ক্ষতি হয় লিভারের। এর থেকে হতে পারে লিভার ক্যান্সার। রোগ মুক্তি থাকতে চাইলে ধূমপান ও মদ্যপান ত্যাগ করুন।
বংশগতিক কারণে ক্যান্সার হতে পারে। পরিবারে কারও ক্যান্সার থাকলে তা পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে আসতে পারে। তাই নিজের পারিবারিক ইতিহাসের প্রসঙ্গে অবগত থাকুন। পারিবারে কারও ক্যান্সার হয়ে থাকলে নিয়মিত স্ক্যানিং করুন। এই রোগ শুরুতেই নির্নয় করা গেলে তা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। সঠিক চিকিৎসার ফলে ক্যান্সার থেকে মুক্তি মিলতে পারে। কোনও ক্রিটিকাল ডিজিজ থাকলে তা ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। আলসারেটিভ, কোলাইটিস রোগে দীর্ঘদিন ভুগলে রোগীর ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। তাই শরীরে কোনও রকম রোগ বাসা বাঁধলে ডাক্তারি পরামর্শ নিন। আপনার শরীরে ক্যান্সার সেল জন্মাচ্ছে কি না, তা খেয়াল রাখতে হবে। সমস্যার শুরুতেই চিকিফসা করলে রোগ থেকে মুক্তি পাতে পারেন।
পরিবেশে ক্ষতিকারক রাসায়নিক থাকলে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। চারপাশের পরিবেশে ক্ষতিকারক উপাদান থাকলে হতে পারে ক্যান্সার। কারও বাড়ির সামনে রাসায়নিকের কারখানা থাকলে সতর্ক থাকবেন। বাতাসে ক্ষতিকারক রাসানিক থাকলে তা আপনার শরীরে ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলবে। এর থেকে হতে পারে ক্যান্সার। তাই সতর্ক থাকুন। নিয়মিত ডাক্তারি পরামর্শ নিন। তাহলে সুস্থ থাকবেন। গবেষণায় জানা গিয়েছে, অধিক ওজন থেকে হতে পারে ক্যান্সার। অধিক ওজন একাধিক রোগের কারণ। সুস্থ থাকতে চাইলে সব সময় শরীর চর্চা করুন। অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে ফেলুন। এতে শরীরের কোনও রোগ বাসা বাঁধতে পারবে না। ওবেসিটি হতে পারে যে কোনও রোগের কারণ। তাই কখনোই ওজন বাড়তে দেবেন না।
আধুনিক জীবনযাত্রায় মানিয়ে নিতে গিয়ে শরীরে বাসা বাঁধছে একের পর এক রোগ। একের পর এক কঠিন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন বহু মানুষ। রোগ থেকে মুক্তি পেতে রোজ স্বাস্থ্যকর খাবার খান। রোজ খাদ্যতালিকায় রাখুন ১ বাটি করে সবজি সেদ্ধ। বিভিন্ন সবজিতে রয়েছে ভিটামিন, মিনারেল থেকে একাধিক পুষ্টিকর উপাদান। যা শরীর সুস্থ রাখে ও ক্যান্সার কোষ জন্মাতে দেয় না। রোজ খান একটি করে মরশুমি ফল। যে কোনও ফলই পুষ্টিগুণে ভরপুর। যা শরীরের সকল ঘাটতি পূরণ করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে। এতে শরীর সুস্থ থাকবে। সঙ্গে কোনও কঠিন রোগ শরীরে বাসা বাঁধতে পারে না। তাই রোজ স্বাস্থ্যকর খাবার খান। এতে সুস্বাস্থ্য বজায় থাকবে। সঙ্গে ক্যান্সার থেকে মুক্তি পাবেন।
ক্যান্সার থেকে মুক্তি পেতে খেতে পারেন বাদাম। বাদামে থাকে ভিটামিন ই। যা ফুসফুস, যকৃত ও অন্যান্য ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। সকাল ও বিকেল উভয় সময়ই খেতে পারেন বাদাম। চীনা বাদাম ক্যান্সার রোগের ঝুঁকি কমায়। এবার থেকে খাদ্যতালিকায় যোগ করুন এই খাবার। এতে সুস্বাস্থ্য বজায় থাকবে। ক্যান্সার আপনাকে ছুঁতেও পারবে না।
চীনের একটি গবেষণায় উঠে এসেছে, চা খেলে ক্যান্সার থেকে মুক্তি মিলবে। চা পানে ফুসফুস, প্রস্টেট, কোলন ও স্তন ক্যান্সার থেকে মুক্তি পেতে পারেন। বিশেষ করে গ্রিন টি খাওয়ার অভ্যেস করুন। রোজ ৩ থেকে ৪ বার পর্যন্ত গ্রিনটি খাওয়া যায়। ক্যান্সার মুক্ত জীবন পেতে গ্রিন টি খান। সুস্থ থাকবেন। আধুনিক হতে গিয়ে বদলেছে আমাদের জীবনযাত্রা। দেখা দিচ্ছে পর্যান্ত ঘুমের অভাব। এই কারণে শরীরে বাসা বাঁধছে একাধিক রোগ। ক্যান্সারের মতো মারণ রোগ থেকে মুক্তি পেতে চাইলে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করতে হবে। রোগ মুক্ত জীবন পেতে রোজ সঠিক সময় খাদ্যগ্রহণ করুন। এড়িয়ে চলুন প্যাকেটজাত দ্রব্য ও রেস্তোরাঁর খাবার। তবেই সুস্থ থাকবেন।

Labels:

কোন ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর উপর কালো জাদু করেছিল?

 

05 কোন ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর উপর কালো জাদু করেছিল?






  ANSWER= (D) ঘ) লাবীদ ইবনে আসাম
Explain:-  
 

Labels:

Sunday, May 22, 2022

‘ভাদাইমা’খ্যাত কৌতুক অভিনেতা আহসান আলী আর নেই

‘ভাদাইমা’ খ্যাত কৌতুক অভিনেতা আহসান আলী (৫০) মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাহি রাজিউন)। 
রোববার (২২ মে) দুপুরে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। আহসান আলীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার নাতি শাহাদাত হোসেন।

মারা যাওয়ার সময় আহসান আলী দুই স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের দাইন্যা রামপাল গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
কৌতুক এ অভিনেতার শ্যালক জজ আলী জানান, ‘দীর্ঘদিন যাবত ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন আহসান আলী। এছাড়া তার লিভারেও পানি জমা ছিল। রোববার সকালে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে প্রথমে শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানে থেকে পরে আহসান আলীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে মারা যান আহসান আলী। তার লাশ হাসপাতালে আছে। বাড়িতে আনার প্রক্রিয়া চলছে।’

মরহুমের পারিবার সূত্র জানা গেছে, আহসান আলী এক সময়ে কৃষি কাজ করে সংসার চালাতেন। এরপর তিনি কৌতুক অভিনয় শুরু করেন। ২০ বছর আগে ক্যাসেটের মাধ্যমে তিনি ‘ভাদাইমা’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।’

Labels:

Thursday, May 19, 2022

প্রশ্নেই লুকিয়ে উত্তর! ছবিতে কোনও ভুল চোখে পড়ল আপনার?

প্রশ্নেই লুকিয়ে উত্তর! ছবিতে কোনও ভুল চোখে পড়ল আপনার?
ছবিটি নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেছেন শিল্পপতি হর্ষ গোয়েঙ্কা। শিল্পপতি নেটাগরিকদের কাছে জানতে চেয়েছেন, ছবিতে ভুল কোথায়।
দৃষ্টিবিভ্রম বা 'অপ্টিক্যাল ইলিউশনের' ছবি নেটমাধ্যমে এই মুহূর্তে অজস্র। মাঝেমাঝেই সে সব ভাইরাল হয়। ক্ষণিকের মজার জন্য অনেকেই এই ধরনের মজাদার ধাঁধার সমাধান করতে ভালবাসেন। এ বারেও তেমনই একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে নেটমাধ্যমে।
এই ধাঁধার ছবি টুইট করেছেন শিল্পপতি হর্ষ গোয়েঙ্কাও। ছবিতে এক থেকে নয় সংখ্যাগুলি ইংরেজি হরফে লেখা রয়েছে। শিল্পপতি নেটাগরিকদের কাছে প্রশ্ন ছুড়েছেন, সেই ছবিতে ভুল কোথায়। রঙিন হরফে লেখা সংখ্যাগুলি দেখলে, আদতে ভুল কোথায় সেটা বোঝার উপায় নেই।অনেকেই একাধিক বার সংখ্যাগুলিতে চোখ বোলালেও ভুলটি বার করতে পারেননি। আপনি দেখুন তো, পারেন কি না!
নম্বরের মধ্যে কোনও ভুল খুঁজে পেলেন? পেলেন না তো? খুঁজে পাওয়ার কথাও নয়! আসলে নম্বরগুলিতে কোনও ভুল নেই। ভুল রয়েছে নম্বরের উপরের লেখাটিতে। প্রশ্নের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে উত্তর। বুঝলেন না?প্রশ্নটি ঠিক করে পড়ুন। লেখা আছে, ''ক্যান ইউ ফাইন্ড দ্য মিস্টেক?'' না ঠিক পড়লেন না। আসলে লেখা আছে ''ক্যান ইউ ফাইন্ড দ্য দ্য মিস্টেক?'' বাক্যে দু'বার 'দ্য' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। সেটাই একমাত্র ভুল।

Labels:

Wednesday, May 18, 2022

সকালে খালি পেটে পানি পানের ৭ উপকারিতা

 বলা হয়, পানির অপর নাম জীবন। আর এই কথাটিতেই বোঝা যায় যে, পানি আমাদের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ।


আমাদের শরীরের ৭০ শতাংশই গঠিত হয় পানি দিয়ে। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের স্বাভাবিক ও মসৃণ কার্যকারিতার জন্য পানি অপরিহার্য।


আমাদের সুস্থতার জন্য নিয়মিত অন্তত দুই লিটার পানি পান করা উচিত। এটি আমাদের শরীরে অনেকটা প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে কাজ করে।


বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে এবং শরীরকে হাইড্রেট রাখতে পানির গুরুত্ব অতুলনীয়।

জেনে অবাক হবেন, পানির সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যায় সকালে খালি পেটে পান করলে।


আসুন জেনে নিই সকালে খালি পেটে পানি পান করলে পাওয়া যাবে যে সাত স্বাস্থ্য উপকারিতা—

১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে

শরীরের তরল ভারসাম্য বজায় রাখতে পানি প্রয়োজনীয়। আর নিয়মিত সকালে খালি পেটে পানি পান করলে সেটি আমাদের ইমিউন সিস্টেমের অনেক উপকার করে। এর ফলে বিভিন্ন সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।


২. বিপাক ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করে

সকালে খালি পেটে পানি পান করলে সেটি বিপাকীয় হারকে প্রায় ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করে থাকে। এর ফলে খাবার দ্রুত হজমে এবং দীর্ঘমেয়াদে ওজন কমাতে সহায়তা করে।


৩. শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে

সকালে খালি পেটে পানি পানের মাধ্যমে আমাদের শরীর থেকে টক্সিন বের হয়ে যায়। কারণ প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে তরল আকারে বিষাক্ত পদার্থ বের হয়ে যায়। আর সকালে খালি পেটে পানি পান করলে তা আরও ভালোভাবে হয়ে থাকে।


৪. অন্ত্র পরিষ্কার করতে সহায়তা করে

খালি পেটে পানি পান করলে সেটি আমাদের পরিপাকতন্ত্র নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এ জন্য প্রচুর পরিমাণে পানি পান করলে আমরা মলত্যাগের তাগিদ অনুভব করে খাকি। এর ফলে সকালে খালি পেটে পানি পান করলে তা আমাদের অন্ত্র পরিষ্কার করতে সহায়তা করে।


৫. ওজন কমাতে উপকারী

বেশি বেশি পানি পান করলে সেটি আপনাকে দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করতে পারে। কারণ এতে কোনো ক্যালোরি নেই, আর ঘন ঘন পানি পান করলে তা পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। আর সকালে খালি পেটে পানি পান করলে সেটি আমাদের বিপাককে দ্রুত করতে সাহায্য করে। এর ফলে ক্যালোরিও দ্রুত বার্ন হয়ে ওজন কমাতে সহায়তা করে।


৬. কোলন পরিষ্কারে সহায়তা করে

সকালে খালি পেটে পানি পান করলে সেটি জমে থাকা স্লাজ থেকে আরও ভালোভাবে মুক্তি দিতে এবং পুষ্টির দ্রুত শোষণকে সক্ষম করতে সহায়তা করে। এর ফলে কোলন স্বাস্থ্য ভালো হয়।


৭. মাইগ্রেনের সমস্যা প্রতিরোধ করে

মাইগ্রেন বা ঘন ঘন মাথাব্যথা সমস্যা প্রাথমিক কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম

হচ্ছে শরীরে তরলের অভাব বা ডিহাইড্রেশন। আর সকালে খালি পেটে পানি পান করলে সেটি প্রাকৃতিকভাবেই এ সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করতে পারে।

Labels:

Sunday, May 15, 2022

সাবধান! Google-এ এই তিনটি জিনিস সার্চ করলেই যেতে হতে পারে জেলে, এখনই সতর্ক হোন

 অজানাকে জানতে হলে বর্তমান ডিজিটাল যুগের বাসিন্দাদের এক এবং একমাত্র ভরসা হল Google (গুগল); যেকোনো বিষয় সম্পর্কে কিছু জানার প্রয়োজন হলেই আমরা সর্বপ্রথম এই সার্চ ইঞ্জিনটির দ্বারস্থ হই।

Google-এ ইচ্ছেমতো যা খুশি সার্চ করা যায়, কিন্তু জানেন কি এমন কয়েকটি বিতর্কিত বিষয় রয়েছে যেগুলির সম্পর্কে সার্চ করলে আপনার ঠাঁই হতে পারে জেলে! আজ্ঞে হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন; হাতের সামনে সহজেই উপলব্ধ রয়েছে বলে গুগলে যা খুশি তাই সার্চ করলে কিন্তু একেবারেই চলবে না, একটু অসাবধান হলেই আপনাকে হাজতবাস পর্যন্ত করতে হতে পারে। তাই এই প্রতিবেদনে আমরা এরকমই তিনটি স্পর্শকাতর বিষয় সম্পর্কে আপনাদেরকে জানাতে চলেছি, যেগুলি খবরদার গুগলে কখনও সার্চ করবেন না৷

১. চাইল্ড পর্নোগ্রাফি


এমনিতেই যেকোনো পর্নোগ্রাফি সংক্রান্ত বিষয়গুলিই অত্যন্ত স্পর্শকাতর হয়। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এর মধ্যে গুগল সার্চের ক্ষেত্রে চাইল্ড পর্ন বা শিশু পর্নোগ্রাফি নিয়ে সবথেকে বেশি সতর্ক হতে হবে। কারণ, এই বিষয়টি পস্কো (POSCO) আইনের আওতাভুক্ত। তাই আপনি যদি এই বিষয়ে গুগলে কিছু সার্চ করেন, তাহলে বড়োসড়ো সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। শুধু তাই নয়, এর জন্য ৫ থেকে ৭ বছর পর্যন্ত জেল খাটতেও হতে পারে আপনাকে!২. বোমা তৈরির পদ্ধতি


কীভাবে বোমা তৈরি করতে হয় - এই কথাগুলি সার্চ বারে টাইপ করে খবরদার কখনও গুগলে সার্চ করবেন না, তাহলে কিন্তু পরিণতি মোটেই ভালো হবে না। কারণ এই ধরনের জিনিস গুগলে সার্চ করলে আপনি দেশের সিকিউরিটি এজেন্সির রাডারে চলে আসতে পারেন, যার ফলে আপনার গতিবিধি সরকার ট্র্যাক করতে পারবে। তাই ভুলবশত কিংবা মজার ছলে আপনি যদি গুগলে এইসব জিনিস সার্চ করেন, তাহলে নিজের অজান্তেই কিন্তু ভয়ঙ্কর বিপদের সম্মুখীন হবেন, এমনকি সেক্ষেত্রে আপনার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাও নিতে পারে দেশের সরকার।


৩. গর্ভপাত সম্পর্কিত অনুসন্ধান


কীভাবে গর্ভপাত করতে হয় - এই সম্পর্কিত কোনো বিষয়ে কখনও গুগলে সার্চ করবেন না। কারণ, এর জন্য কড়া আইন প্রণয়ন করেছে ভারতের সরকার। যেহেতু একমাত্র ডাক্তারের অনুমোদনের পরেই এই ধরনের কাজ করা সম্ভব, তাই জেলের হাওয়া খেতে না চাইলে ভুলেও গর্ভপাত সংক্রান্ত কোনো বিষয় সম্পর্কে গুগলে সার্চ করবেন না।

দুপুরে না ঘুমালে দূর হবে বহু রোগ

 দুপুরে না ঘুমালে দূর হবে বহু রোগআমরা 


অনেকেই দুপুরে ঘুমাই। এতে দেখা দিতে পারে নানা সমস্যা।দুপুরে ঘুমানোর অভ্যাস পরিবর্তনে দূর হতে পারে হাজারো শারীরিক ও মানসিক সমস্যা। স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে পর্যাপ্ত ঘুমের কোনো বিকল্প নেই।

কিন্তু দুপুরে ঘুমানোর অভ্যাস পরিবর্তন করা উচিত। এতে হাজারও রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে।

দুপুরে খাওয়ার পরে ভাতঘুম হয়। এ দিবানিদ্রা হজমশক্তি নষ্ট করে।


কমিয়ে দিতে পারে স্মৃতিশক্তিও, বাড়াতে পারে চর্মরোগ, হার্টের রোগ ও স্ট্রোকের সম্ভাবনা। তাই রোগের প্রকোপ কমাতে রোজকার রুটিন থেকে দিবানিদ্রাকে বাদ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন যোগ-ন্যাচারোপ্যাথি বিশেষজ্ঞ ও আয়ুর্বেদ চিকিৎসকরা।

দুপুরে খাওয়ার পরেই হজমের জন্য পরিপাকতন্ত্র কঠোর পরিশ্রম শুরু করে। এ সময় পেটের মধ্যে অ্যাসিডের মাত্রা অনেক বেড়ে যায়। দুপুরে ভরপেট খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লেই পাকস্থলি ঠিকমতো ‘মুভমেন্ট’ করতে না পারায় বুক জ্বালাপোড়া এবং গলা জ্বলার মতো অস্বস্তিকর অবস্থা তৈরি হয়। তাই খাওয়া শেষে না শুয়ে কিছুক্ষণ হাঁটুন কিংবা বসে থাকুন। এমনই পরামর্শ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের।


এছাড়া ওজন কমানোর জন্য খাওয়ার পর কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি বেশ উপকারী বলেও জানিয়েছেন ডাক্তাররা। তারা বলেন, দেখা যাচ্ছে দুপুরের ভাতঘুমে ওজন বাড়তে থাকে ক্রমশ। স্থূলত্ব থেকে নানা অসুখের জন্ম হয়। হতে পারে হৃদরোগ, স্ট্রোকও। তাই দুপুরে অভ্যাসবশত গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন না হয়ে খাওয়ার পর ১৫-২০ মিনিট হাঁটাচলা কিংবা অন্যান্য হালকা ধরনের কাজ সেরে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Labels:

Monday, November 22, 2021

Question

ইসলামিক কুইজ - স্পষ্ট ও সহজ পাঠ্য
ইসলামিক কুইজ #০৪ ⏳ সময়: ৩০ সেকেন্ট
১. কোন ব্যক্তির জন্য প্রতিদিন সকালে একজন ফেরেশতা বদ দোয়া করতে থাকেন?
📖 সহিহ বুখারি: ১৪৪২
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, প্রতিদিন সকালে দুজন ফেরেশতা অবতীর্ণ হন। একজন দোয়া করেন: "হে আল্লাহ! দানকারীকে তার দানের বিকল্প দিন।" আর অন্যজন বদদোয়া করেন: "হে আল্লাহ! কৃপণকে ধ্বংস ও ক্ষতির মুখে ফেলুন।"

Labels:

কোন আমলকারী ব্যক্তি মর্যাদায় ফেরেশতাদের সমতুল্য?

💬👤💬

03 কোন আমলকারী ব্যক্তি মর্যাদায় ফেরেশতাদের সমতুল্য?





ANSWER= (C) গ) যে ব্যক্তি নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত করে
Explain:-

Labels:

Tuesday, November 16, 2021

কোন সাহাবিয়্যার নাম পরিবর্তন করে জামিলা রাখা হয়েছিল?

 

2. কোন সাহাবিয়্যার নাম পরিবর্তন করে জামিলা রাখা হয়েছিল?





  ANSWER= (D) আসিয়া (রাঃ) 
Explain:-  
 

Labels: